Main Menu

সাংবাদিক নামধারী প্রতারক মনির আহমদের বিরুদ্ধে ব্যাবসায়ী দিল মোহাম্মদের সাংবাদিক সম্মেলন

বার্তা সম্পাদক, বিবিসি একাত্তরঃ 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মনির আহমদ নামে কথিত সাংবাদিক নামধারী চাঁদাবাজ, ভিক্ষুক, এক সময়ের চিহ্নিত ডাকাত ও সন্ত্রাসী, সমাজের বিভিন্ন সম্মানী ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সিনিয়র সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তার ব্যবহৃত কথিত ফেসবুক ফেক আইডি Riad uddin riad ও নিজ নামে ব্যবহৃত monir ahmad আইডি থেকে কুরুচিপূর্ণ মানহানীকর স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখিত প্রতারক-চাঁদাবাজ মনির আহমদ নিজেকে মহামারি সাংবাদিক দাবী করে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

এমনকি বিগত সময়ে রামুতে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে গণধোলাইসহ পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে চাঁদাবাজী মামলায় জেল খেটেছে। চকরিয়ার মালুমঘাটস্থ ফাসিয়াখালী বনবিট অফিস, পার্বত্য লামা গুলিস্তান বাজারে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে গণধোলাই, পৌরসভার পালাকাটাস্থ তার বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি শিশু হত্যার ঘটনায় জনগনের হাতে মারধরের শিকার, ফেসবুকে ভূয়া স্ট্যাটাস দেওয়ায় থানা সেন্টার এলাকায় একাধিকবার মারধরের শিকার হয় প্রতারক ও চাঁদাবাজ মনির। বিশেষ করে তার (প্রতারক ও চাঁদাবাজ মনির) ব্যবহৃত কথিত ফেসবুক ফেক আইডি Riad uddin riad থেকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কুরুচিপূর্ণ, বানোয়াট, সাজানো, কাল্পনিক ও মানহানীকর স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছে। তার (প্রতারক ও চাঁদাবাজ মনির) কাজ হচ্ছে ভিত্তিহীন ও মানহীনকর স্ট্যাটাস দিয়ে মোটা অংকের চাঁদা আদায়সহ ভাল মানুষের মান ক্ষুন্ন করা। সাংবাদিক নামধারী এই প্রতারক মনিরের চিংড়ি জোনে ডাকাতি, দপ্তরে চাঁদাবাজীসহ একাধিক মামলা রয়েছে। রয়েছে নারী ঘঠিত ক্যালেংকারীও। সে চাঁদাবাজী করতে যেখানেই যায়, সেখানেই মার খায়। এমনকি প্রতারক ও চাঁদাবাজ মনির আহমদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরীও (জিডি) করা হয়েছে।

  1. সম্প্রতি রেল লাইনের জমির ক্ষতিপূরণের বিষয় নিয়ে আমি দিল মোহাম্মদের সাথে ওই প্রতারক ও চাঁদাবাজ মনিরের সাথে চাঁদা দাবী নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। মনিরের দাবীকৃত ও চাহিদামত চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তার ব্যবহৃত কথিত ফেসবুক ফেকআইডি Riad uddin riad থেকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানীকর স্ট্যাটাস দিয়েছে। দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় সেখানে আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী সাজানো হয়েছে। অথচ: এধরণের কোন অবৈধ ব্যবসার সাথে আমার কিংবা আমাদের পরিবারের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্তটা নাই। আমি চকরিয়া পৌর সদরের থানা রোডের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী। আমাকে সকলেই চিনেন ও জানেন। ইতিপূর্বে কথিত ফেসবুক ফেকআইডি Riad uddin riad এর সন্ধ্যান চাইতে গিয়ে চকরিয়া পৌরসভার ঘনশ্যামবাজার-বাজারপাড়াস্থ জাহাঙ্গীর আলম দুদু মেম্বারের পুত্র রিয়াদ উদ্দিন রিয়াদের সাথে আমি স্থানীয় লোকজন নিয়ে স্বাক্ষাৎ দিয়েছি। রিয়াদ উদ্দিন রিয়াদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার নাম ভাঙ্গিয়ে উল্লেখিত প্রতারক মনির আহমদ কথিত ফেসবুক ফেকআইডি Riad uddin riad টি ব্যবহার করে মানুষের মান ক্ষুন্ন করছেন। রিয়াদ আরো বলেন, আমি একসময় মনির উদ্দিনের সহকারী হিসেবে কাজ করতাম, তখন বিভিন্ন যায়গায় ও নি মানুষকে ভয় দেখিয়ে, হুমকি দমকি দিয়ে টাকা ধান্দা করতো, এটি করতে গিয়ে অনেক যায়গায় প্রশাসনের কাছে ধরা খেয়ে জেলেও গিয়েছে এগুলোর আমি স্বাক্ষী। কিছু দিন পূর্বে রামুতে পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার ছবি আপনাদের দিচ্ছি। মনিরের সাথে মাঠে-ঘাটে না যাওয়ায় ক্ষুদ্ধ হয়ে তার (রিয়াদ) বিরুদ্ধেও মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়েছেন বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানান। রিয়াদ উদ্দিন আরো বলেন, আমার নাম দিয়ে ফেক আইডিটি চালানোর সময় আমার কাছে হাতে-নাতে ধরাও খেয়েছেন। এনিয়ে আমিও ইতিপূর্বে চকরিয়া থানায় একটি জিডি (অভিযোগ) করেছি।
    এদিকে ব্যাবসায়ী দিল মোহাম্মদ বলেন, এবিষয়ে আমি প্রাথমিকভাবে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করেছি এবং সাধারণ ডায়েরী দায়ের করিতেছি। আমি উল্লেখিত চাঁদাবাজ, ভিক্ষুক, এক সময়ের চিহ্নিত ডাকাত ও সন্ত্রাসী মনির আহমদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও সাংবাদিক মহল সহ সর্বসাধারণের কাছে আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। সর্বোপুরী মনির নামে এই প্রতারক-চাঁদাবাজ থেকে সবাই সাবধান থাকবেন।
    ইতি- দিল মোহাম্মদ
    পালাকাটা,চকরিয়া পৌরসভা, কক্সবাজার।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*