Main Menu

সমকালীন

সাইফুল ইসলাম বাবুল 

ছোট কথা “সমকালীন” বড় কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে তাই ছোট দিয়ে শুরু। মাঝেমধ্যে রম্যকথার শিল্পী হতে চাই। তবে পেরে উঠি না তারপরও সচেষ্ট আছি। যাক বাংলাদেশ ভালো চলছে। ছোট উপজেলায় তথা পেকুয়ায় সমকালীন কি ঘটছে?  ছেলে ধরা আতঙ্ক। বাংলাদেশের সব জায়গার মত এখানেও আছে। তবে পাচার প্রতিরোধের অন্ত নেই। মিটিং প্রচার লিপলেট সবই আছে। তবে গুজব কোথা থেকে আসে তার উৎস খুঁজে পাওয়া কঠিন।  তবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা কমেছে।

 

উপজেলার প্রাণকেন্দ্র পেকুয়া বাজার। দ্রব্যে মূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি অথচ বাজার মনিটরিং এর কোন ব্যবস্থা নেই। যানজট পেকুয়া বাজার হেঁট পার হতে অনেক সময় লাগে। সামনে ঈদুল আযহা কথাটা কারো মনে আছে কিনা জানি না। কোরবানী পশুর ছটা মূল্য বাজার (হাসিল) ট্যাক্স এর নিয়ম নেই মগের মুল্লুক মনে হচ্ছে। তার ওপর প্রশাসনিক খবরদারী মানুষের নাভিশ্বাস কেউ প্রতিকার চাইতে পারে না এক পক্ষ মামলা করলে অন্য পক্ষ টাকার বিনিময়ে পাল্টা মামলা করতে পারে। উভয় পক্ষ মামলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কে শিস্ট কে দুষ্ট তার বাচ-বিচারের দরকার নেই। বড় বড় নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে থানায় সৃষ্ট দালাল চক্র এ বিষয়ে তৎপর।

 

দুদক কোথায়.?  অফিসারদের পাশাপাশি দালাল চক্রের (কিছু নেতা) সম্পদের হিসাব নেয়ার। অনেক সময় তাদের চাপে পড়ে অন্যায় করে আমলারা। আবার অনেক সময় উভয় পক্ষ যোগসাজশে টাকা কামাই করার জন্য এগুলো করে। হাতে গোনা ভালো লোকেরা পারতপক্ষে অফিসে যায় না। কারণ তারা ইতিপূর্বে নাজেহাল হয়েছে। তাদের ভালো কথার দাম নেই। তাই তারাও দালালের মাধ্যমে নিজের স্বাধিকারের কথা বলে। পেকুয়ার অন্যায় গুলো খালি চোখে দেখা যায় তাই বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে দেখার দরকার নেই। আর একটা কথা চালু আছে, উপরের চাপ! তাহলে তো দেশ চেপ্টা হবে সন্দেহ নেই।

 

কিছু লোক সারা জীবন অন্যায় আর দুষ্ট চালে বড়লোক হয়েছে এখন দেখছি অফিসে থানায় তাদের বিশেষ কদর। সম্মান জনক কমিটিতে তাদের স্থান তাহলে সবাই অন্ধকারে দেখবেই। আবার তাদের কাছে অন্ধকারই দরকার। তারা সে সময় সবকিছু করতে পারবে। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চলে তখন ওই বেটা এক ভাল্ব প্রতি দশ টাকা নিতে পারে। তারপর কিছু টাকা হয়তো পল্লী বিদ্যুৎ কে দিতে হয় না দিলেও কি? কামাইতো হয়ে গেছে। শাসকগোষ্ঠীকে অন্ধকারে রেখে এখন চলছে ভাল্ব বিক্রি। নেতা যখন চাটুকার বেষ্টিত হয় তখন নেতাও অন্ধকারকে আলো মনে করে সে সুযোগে ভাল্বের  ব্যবসা চলছে।

 

চাটুকার বলতে, চালবাজ, দখল বাজ, দালাল, বন ধ্বংসকারী, পাহাড় কর্তনকারী, হুমকিদাতা, ব্যবসার জন্য দল বিক্রি সবাই।ভোট বাজারে ভোটের বাক্স “হাল্ল্যা”  মানে শূন্য।

 

রাজনীতি এখন একটা ব্যবসা পদ বিক্রি, কাউন্সিলর বিক্রি, কমিটি বিক্রি এসব আছে। আবার কেউ ন্যায্য কথা বললে বলে হাত পা ভেঙ্গে এখানে নিয়ে আয়।  তার কথা শুনে হাসি পায় যে কিনা বিলাই কে বাঘ মনে করত। সে এখন জিন করবেট সেজেছে। মানে মস্ত বড় বাঘ শিকারী। তার শিকারের পাল্লায় পড়লে ক্ষতি নেই সুবিধা আছে টাকা দিয়ে পার পাওয়া যাবে।

 

চাঁদাবাজী আগে চলত আড়ালে, এখন চলে প্রকাশ্যে। আচ্ছা বলুন তো কলা কি নিষিদ্ধ পণ্য। কলার গাড়ি থামিয়ে একবার পুলিশে নেয় তারপর সিভিল পুলিশ নেয়। দুইবার টাকা দিতে দেখলাম। ছন কি নিষিদ্ধ পণ্য খড় কি নিষিদ্ধ পণ্য তার থেকেও নেওয়া হলো তাও চৌমুহনীতে। তাহলে চৌমুহনীকে ইজারা দিয়ে টোল এর ব্যবস্থা করলে ভাল হতো। বিশেষ ব্যক্তি গুলো কারো ঘরে ঢুকে গুটি খেলে মালিক কিছুই বলতে পারবে না। এখন ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ সব মাদকসেবীদের নিরাপদ স্থান কারো নজরে আছে কিনা জানিনা।

 

দল করে দলীয় লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে না কেন? অপছন্দনীয় ব্যক্তি কে জোর করে মসনদে বসালে এরকম হয়। দিনে দিনে ক্ষতির মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যারা বিরোধী তারা ট্রক্স লাইন, ফাইল করে চলে যাচ্ছে। এমন কোন মামলা নেই নাশকতা থেকে শুরু করে যেখানে দলীয় লোকজন আসামী নেই মনে হচ্ছে টাকার জন্য নিজের অঙ্গে কোপ মারা। তবুও মারছে, তাই মাঝে মধ্যে সিদ্ধান্ত মানে না। মানুষ হয়তো একদিন মনে করবে আগুনে পোড়া যখন অবধারিত তখন বরফ খেয়ে লাভ নেই।

 

তাই বলতে চাই, মন্দ পালন করুন, মন্দ পথ ধরন, মন্দ উপার্জন করুন, মন্দ সংঘ গঠন করুন,  নাস্তি লাভ করবেন শুধু সময়ের ব্যাপার।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*