Main Menu

লামায় রাস্তার উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
পার্বত্য লামা উপজেলার ফাসিঁয়াখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ফকিরাখোলা এলাকায় ব্রিক সলিং রাস্তার উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ন ও দূর্নীতির অভিযোগে আন্দোলন করেছে এলাকার সচেতন মহল।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ফকিরাখোলা এলাকায় ১কিলোমিটার ব্রিক সলিং রাস্তায় উন্নয়ন কাজে ব্যবহারিত করা হয়েছে থার্ড ক্লাস ইট।যাহা হাতের আঙ্গুলের টিবায় ভেঙ্গে যায়।এমন ইট বসিয়ে রাস্তার কাজ করায় এই এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা জড়ো হয়ে আন্দোলন করেছে। এ আন্দোলন থামাতে সাব-ঠিকাদার ঐ এলাকার মৃত আজিজির রহমানের পুত্র হেদায়ত উল্লাহ। সে আন্দোলনকারী জনগণকে চাঁদাবাজি ও ডাকাতি মামলার আসামী করা হুমকি দিয়ে কাজ করেছে। এছাড়া তিনি অত্র ২ নং ওয়ার্ড আ’ লীগের সম্পাদক জানা গেছে। তাই এবিষয়ে লোকজন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যানকে নালিশ দেয়।নালিশের ভিত্তিতে সভাপতি ও ঠিকাদার গত ৩ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টার সময় স্পটে যায়।এতে প্রমাণ হয় থার্ড ক্লাস ইট বসিয়ে কাজ শেষ করেছে। তাই বসানো ইট খুলে এক নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করা নির্দেশ দেন। সে মতে কাজ শুরু করেছে ঠিকাদার।

এবিষয়ে ইউনিয়ন আ’ লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হোসেন বলেন,এলাকার লোকজনের অভিযোগে কাজের স্পটে যায়,ঘটনা সত্য তাই এই ইট খুলে নতুনভাবে ভাল ইট বা ১নাম্বার ইট দিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছি।বসানো ইটগুলো তুলে ফেলেও নির্দেশ দিলে ইটগুলো তুলে ফেলা হচ্ছে বলে জানান। কেননা মন্ত্রী মহোদয় দূর্নীতি পচ্ছন্দ করেনা।

ঠিকাদার কামাল উদ্দিনের সাথে সরাসরি কথা বললে, তিনি বলেন ১ কিলোমিটার ব্রিক সলিং রাস্তা উন্নয়ন কাজের জন্য ৫৮ লক্ষ টাকার বাজেট পেয়েছি। এর থেকে ২৬ পার্সেন্ট কর,ভ্যাট, লেস বাদ দিয়ে বাকী টাকা দিয়ে কাজ করব। এতে ভুলে কিছু জায়গায় নরমাল ইট দিয়েছে হেদায়ত।তাই সভাপতির নির্দেশে এসব ইটগুলো খুলে এক নাম্বার ইট বসানো হবে বলে জানান।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*