Main Menu

রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাদের পেছনে কারা – ফেসবুকে ভাইরাল

এ সব কি হচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ?
সময় তাকতে ব্যবস্তা নিন।

অনলাইন ডেস্কঃ

গত ২৫ আগস্ট  রোহিঙ্গারা যে সভা করেছে তার নেতৃত্বে এই লোক,নাম তার মুহিবুল্লাহ।

এইতো কয়দিন আগে প্রিয়া সাহার সাথে সেও আমেরিকা গিয়ে ট্রাম্পের সাথে দেখা করে এসেছে। আমি ভাবি সে আমেরিকা গেল কেমনে?পাসপোর্ট পাইল কই,তারে ওইখান পর্যন্ত পৌঁছাইল কারা এইগুলা বের করাই এখন খুব জরুরি।রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এতগুলা ডিজিটাল ব্যানার আসে কেমনে?কারা ছাপিয়ে দেয়? হাতে হাতে মোবাইল আসল কই থেকে,ওইগুলার সিম পাইল কই?

আমেরিকা বিভিন্ন দেশে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করে বিভিন্ন পরিচয়ে, আমার মনে হয় রোহিঙ্গাগুলার মাঝে বিদেশী যত এনজিও কর্মি আছে তার বেশিরভাগই এজেন্ট। শুধু আমেরিকার সিআইএ না মোসাদ, আইসআই সহ চীন ভারত থেকে শুরু করে সবদেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট এখানে আছে ছদ্দবেশে, যাদের উদ্দেশ্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন না তাদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গা দিয়ে গোলযোগ তৈরি করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ফায়দা লুটা, আমাদের ভূখণ্ডে তাদের শিকড় গাঢ়া। এইক্ষেত্রে এইসব এনজিও কর্মিগুলার পিছনে খুব ভালভাবেই নজর দেওয়া উচিৎ, আর তাদের কার্যক্রম আরো সীমাবদ্ধ করে দেওয়া উচিৎ। তারা যা সাহায্য করতে চায় তা বাংলাদেশ সরকারের কোষাগারে জমা দিক। এইগুলারে সরাসরি রোহিঙ্গাদের কাছে যাওয়া সীমিত করা হোক।আর পুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্যাম করে দেওয়া হোক যেন কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে।যেসব কোম্পানির সিম রোহিঙ্গাদের হাতে ওইসব কোম্পানিগুলোকে জরিমানা করা হোক, লাইসেন্স বাতিলের মত শাস্তি প্রদান করা হোক।

এইগুলার শরীর দিয়ে এখন যেন তেল বেয়ে পড়ে,ফ্রি পাইয়া খাইয়া বেইচা বেশি আরাম পাইছে প্রত্যেকটা একেকটা যেন তাগড়া ষাড়।এখন থেকে এইগুলারে দিনে একবার খাবার দেওয়া হোক,মানবতা এইগুলার পশ্চাতদেষ দিয়ে ভরে দেওয়া হোক।শুয়োরের বাচ্চাগুলার সাহস বেড়ে গেছে হুমকি দেয়।যেভাবে আসছে ওইভাবে বিদায় করার ব্যবস্থা করা হোক আর নাহয় সোনার বাংলা ধ্বংস হতে বেশিদিন লাগবেনা।
আর এখনো এইগুলার জন্য যারা মায়াকান্না করে তাদেরকেও এইগুলার সাথে পুটলা বাইন্ধা পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক।
এসব কি বানানো হচ্ছে? আমাদের দেশে এটা কিশের আলামত।

উখিয়ার কোটবাজারের ভালুকিয়ায় একটি কামারের দোকানে এসব কি বানানো হচ্ছে?
যেগুলো নাকি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরবরাহ করতে একটি এনজিও অর্ডার দিয়েছে।
একদিকে রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ, অন্যদিকে এসব কি দেখছি?
এভাবে ছাড় নয়, তদন্ত দরকার।
প্রশাসন দৃষ্টি দিন।

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত–
Copy:-Mohammed Ismail C.I.P ভাই






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*