Main Menu

রংপুরে ব্যবসায়ী লেবু হত্যা, কাউন্সিলর লিটন কারাগারে

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীরের ব্যবসায়ী লেবু হত্যা মামলার প্রধান আসামি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান লিটনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ওই মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গেলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জেলহাজতে পাঠান। এর আগে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন।
লিটন আটক হওয়ায় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নিহত লেবু মিয়ার স্ত্রী সেতারা বেগম জানান, তার স্বামী লেবু মিয়ার সঙ্গে রসিকের ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। তিনি বলেন, আমার স্বামী বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা লোন নিয়ে কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের হাতে দিয়েছে। আমার স্বামীর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার পরও টাকা লেন দেনের কারণে তাকে হত্যা করেছে কাউন্সিলর লিটন।
 
মামলা হওয়ার পর থেকে আমার পরিবারকে নানা রকম হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাত কাউন্সিলর লিটন। নিহত লেবুর পরিবারের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী মূলহোতা কাউন্সিলর হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি। উল্লেখ্য, ইটভাটাকে কেন্দ্র করে পাগলাপীরের মহাদেবপুর গাণ্ডারপাড়া গ্রামের তামাক ব্যবসায়ী লেবু মিয়াকে গত ১৪ জুন রাতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
 
হত্যার পর লেবুর লাশ পার্শ্ববর্তী মমিনপুর ইউনিয়নের মহেশপুর সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। পরে রাতেই লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত লেবু মিয়ার ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ডাকাত বেলাল ও তার সহযোগী মমিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
 
এরই মধ্যে আসামি বেলাল ডাকাত পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। অপর আসামি মমিদুল ইসলামের আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে লেবু হত্যাকাণ্ডে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের নাম উল্লেখ করে। এরপর ওই হত্যাকাণ্ডের রহস্য প্রকাশ পায়।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*