Main Menu

মিনায় লাখো মানুষের ঢল,হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

মুহাম্মদ ওমর ফারুক, সৌদিআরবঃ
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরব এসে উপস্থিত হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকেও এ বছর ১ লাখ ২৭ হাজার হজ্বযাত্রী হজ্ব পালনের জন্য এখন মক্কায় অবস্থান করছেন।
মক্কায় সমবেত সারা বিশ্বের লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান বৃহস্পতিবার  (৮ আগস্ট) মিনায় পৌঁছেছেন। সেখানে স্থাপিত তাবুতে অবস্থান নিয়ে ইবাদত মশগুলে রয়েছেন মুসল্লিরা। এরই মধ্য দিয়ে শুরু হলো পবিত্র হজ পালনের আনুষ্ঠানিকতা।
তাবু নগরী মিনা নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে সৌদি নিরাপত্তা রক্ষীরা। সারা পৃথিবীর ২০ লাখের বেশি মুসলমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে নিজ নিজ আবাস এবং মসজিদুল হারাম থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনায় এসে পৌছেন।
এর মাধ্যমে সূচনা হবে মুসলমানদের অন্যতম ফরজ ইবাদত পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজ পালনের সূচনা হয়; যা শেষ হবে ১২ জিলহজ্ব জামারায় (শয়তানকে) পাথর মেরে।
হজ পালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। দীর্ঘ যানজট এড়াতে অনেকে মিনায় যাবেন পায়ে হেঁটে। অন্যান্য দেশের হাজিদের মতো বাংলাদেশের ১ লাখ ২৭  হাজার হাজ্বীও  মিনায় অবস্থান করেন।
 আজ  ৯ আগস্ট (শুক্রবার) সারাদিন মিনায় অবস্থান করে  রাতে ও প্রত্যুষে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন তারা। ১০ আগস্ট (শনিবার) আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা দেওয়া হবে। হজের খুতবা শেষে জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন হাজিরা। সেদিন সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেবেন হাজ্বীরা।
 ঐদিন ফজরের নামাজ শেষে বড়ো জামারায় (প্রতীকী বড়ো শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি দেবেন তারা।
 মূলত ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের দিনকেই হজের দিন বলা হয়। এদিনের নাম—ইয়ামুল আরাফা।
 ১০ জিলহজ মিনায় প্রত্যাবর্তনের পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কোরবানি (অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন), মাথা ন্যাড়া করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত। এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*