Main Menu

বালিশ ও পর্দা দুর্নীতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের: ‘এগুলো ছিঁচকে কাজ’

বিবিসিএকাত্তর ডেস্কঃ: বহুল আলোচিত বালিশ ও পর্দা কেনায় দুর্নীতিকে ‘ছিঁচকে’ (ছোট-খাট ঘটনা) বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।এর সঙ্গে কোন এমপি-মন্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে বালিশ কাণ্ডের পর এবার আলোচনায় এসেছে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে পর্দা ক্রয়ে দুর্নীতির চিত্র। সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে যখন সর্বত্র এমন ঘটনায় সমালোচনা চলছে তখন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই মন্তব্য করলেন।

শনিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ ধরনের ছিঁচকে কাজগুলো যারা করে থাকে তারা নিশ্চয়ই কোন এমপি বা মন্ত্রী নয়। এটা হাওয়া ভবনের মত লুটপাটের বিষয় নয়। দেশটাকে লুটপাট করে খেয়েছে হওয়া ভবন। হাওয়া ভবন ছিল তখন খাওয়া ভবন। আমাদের সময়ে লুটপাটের জন্য কোন ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র তৈরি হয়নি। এটা আমি জোরের সঙ্গে বলতে পারি। বালিশ আর পর্দা এটার সঙ্গে হাওয়া ভবনকে মেলানো যাবে না।

অন্যদিকে, দেড় শ নেতার বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ পাঠানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী ছিল, তাদের শোকজ করার সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল। আজকে সেটা বাস্তবায়নের প্রসেস কীভাবে দ্রুত করা যায়, সেটা আলোচনা করেছি। আগামীকাল থেকে ১৫০ এর মতো শোকজ নোটিশ ইস্যু হবে। শোকজের জবাবের জন্য তিন সপ্তাহ সময় দেয়া হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমপি-মন্ত্রী যারা মদদদাতা তারাও শোকজের চিঠি পাবেন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি কাদের।

তিনি বলেন, ‘মদদদাতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাও থাকতে পারে। যাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ও মদদ দেয়ার অভিযোগ আছে, তারা সবাই শোকজ নোটিস পাবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নিজেই বলেছিলেন, বিএনপি না আসলে নির্বাচন উৎসবমুখর করার জন্য প্রার্থিতা উন্মুক্ত থাকবে। তার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা মাঠে নেমেছি, কিন্তু এখন আবার কেনো শাস্তি দেবে?- তৃণমূলের এমন বক্তব্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন,  ‘আওয়ামী  লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেছেন, কোনো রেকর্ড আছে? হাওয়া থেকে বললে তো হবে না।’

পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে বলেছিলেন উল্লেখ করে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এটা অনেক আগের কথা।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বাহাউদ্দীন নাছিম, এনামুল হক শামীম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিএম মোজাম্মেল হক, উপ দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*