Main Menu

বদরখালী কোস্টগার্ড সদস্যদের হাতে শেখ সালাহ উদ্দিন আহত

বিবিসিএকাত্তর ডেস্কঃ 

চকরিয়া উপজেলার বদরখালীতে কোস্ট গার্ড অফিসে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শেখ সালাহ উদ্দিনকে মারধর করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রোববার রাতে স্থানীয় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের এমপি আলহাজ্ব জাফর আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় ওই আওয়ামীলীগ নেতাকে উদ্ধার করেছে। তাকে উদ্ধার করার পর বদরখালীর উত্তেজিত জনগণ শান্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের বদরখালী তদন্তকেন্দ্রের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানান, রোববার ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৭ টার দিকে কোস্ট গার্ডের বদরখালী অফিসের আশরাফ নামক একজন কর্মকর্তা মোবাইলে বদরখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শেখ সালাহ উদ্দিনকে তাদের অফিসে ডেকে নিয়ে বেদম মারধর করে। এ ঘটনার অভিযোগ উঠলে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

মুর্হুতে আওয়ামীলীগ নেতাকে মারধর ও অফিসে আটকে রাখার খবরে স্থানীয় জনসাধারণ কিছুক্ষণের মধ্যে মাইকিং করে মিছিল, বিক্ষোভ প্রদর্শন ও কোস্ট গার্ড অফিসের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। শতশত জনসাধারণ কোস্ট গার্ড অফিস ঘেরাও করে শেখ সালাহ উদ্দিনের মুক্তির দাবীতে শ্লোগান দিতে থাকে। কোস্ট গার্ডের সদস্যরা তখন উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষন করে। তখন জনতা আরো বেশী উত্তেজিত ও মারমুখী উঠে।

পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা থাকায় খবর পেয়ে চকরিয়া পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তিনি উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। জনতার দাবীর মুখে একপর্যায়ে এমপি জাফর আলম নিজে কোস্ট গার্ডের অফিসে গিয়ে আটক সালাহ উদ্দিনকে নিয়ে আসেন।

এমপি জাফর আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমি কোর্ড গার্ড অফিসে গিয়ে কেন শেখ সালাহ উদ্দিনকে ধরে নিয়ে প্রহার ও আটকে রাখা হয়েছে জানতে চাইলে তারা এ বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে আমি যতটুকু জানি শেখ সালাহ উদ্দিন একজন প্রতিবাদী রাজনীতিবিদ। সে কোস্ট গার্ডের বিভিন্ন অপকর্ম ও অনিয়মের বিরুদ্ধে বার বার প্রতিবাদ করে আসছিলেন।

সেই কারণে কোষ্ট গার্ড তার উপর ক্ষুদ্ধ ছিলো। সেজন্য কোস্ট গার্ডের সদস্যরা তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে মারধর করেছে, অস্ত্র ও ইয়াবা নিয়ে তাকে চালান দিতে চেয়েছে। আমি গিয়ে বলেছি, এটা আপনারা কখনো করতে পারবেন না। তারপর শেখ সালাহ উদ্দিনকে কোস্ট গার্ডের অফিস থেকে আমি উদ্ধার করে নিয়ে এসে উত্তেজিত জনতাকে তাকে দেখানোর পর জনতা শান্ত হয়। পরে আমি নিজে শেখ সালাহ উদ্দিনকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে এসেছি।”

ঘটনার বিষয়ে গতকাল রাতে চকরিয়া সদর থেকে স্থানীয় সাংবাদিকরা মোবাইল ফোনে বক্তব্য নিতে চেষ্টা করেন। কিন্ত কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা ফোন রিসিভ করলেও ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত কথা না বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*