Main Menu

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সমন্বয় মিটিং

বিবিসি একাত্তর   

এমন সুন্দর, পরিপাটি হলরুমের ব্যাবস্থা করে দেওয়ার জন্যে মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব জাফর আলম এমপি মহোদয়কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মাননীয় চকরিয়া পেকুয়ার সপ্ন দ্রষ্টা, আপনার দ্বারাই সম্ভব এই অঞ্চলের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্য খাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কতৃক হাজার হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের সঠিক ব্যাবহার ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
আমাদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা কি পরিমাণ ভোগান্তির স্বীকার হন।
ডাক্তার সাহেবরা অফিস টাইমে রুগী না দেখে চা- নাস্তার আড্ডায় মশগুল থাকে। আমাদের এলাকার মা-বোনদের কষ্ট দেখলে, লিডার আপনি স্থির থাকতে পারবেন না। আপনি স্ব চোখে না দেখলে আপনার বিশ্বাস করতেই কষ্ট হবে।
ওনারা ১০টায় অফিসে বসে। ১১টায় নাস্তার নামে আড্ডায় চলে যায়। ওখান থেকে ১২টার সময় এসে ১টার সময় উঠে যায় চেম্বার থেকে। এদিকে সকাল ৮টা থেকে অসুস্থ সন্তান কোলে নিয়ে, অপেক্ষা করতে করতে নিরাশ হয়ে, শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে শতশত নারী পুরুষ ফিরে যায় প্রতিদিন। আবার কোন কোন ডাক্তার সাহেবগন অফিস টাইমে অফিসে বসে প্রাইভেট চিকিৎসার নামে টাকা নিয়ে চিকিৎসা দেন। পাশের রুমে রুগীর ঠাসাঠাসি, শতশত মহিলারা বাচ্চা কোলে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের বাচ্চাদের চিৎকার চেচামেচি ঐ সব ডাক্তারদের কানে যায়না। ওনাদের কাছে অফিস টাইমে চেম্বারে বসে থেকে রোগী না দেখার কারণ জানতে চাইলে, উল্টো ঝাড়ি খেতে হয়েছে অনেক বার। গত কয়েক দিন আগে ডাক্তার মাঈনুদ্দীন মোরশেদ সাহেবের চেম্বারের পাশের রুমে রুগীর ঠাসাঠাসি অবস্থা দেখে ওনার রুমে গিয়ে রুগী না দেখার কারণ জানতে চাইলে, ওনি সাথে সাথে রেগেমেগে বলেন, হ্যা রুগী দেখছিনা তো কি হয়েছে??? আমার জন্যে বিচার দিবেন??? দেন, যেখানে খুশি সেখানে।
এই হলো আমাদের প্রিয় চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান অবস্থা।
এসব অনিয়ম থেকে চকরিয়া বাসীকে উদ্ধার করতে পারেন শুধু মাত্র আপনিই।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*