Main Menu

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আলোচনায় শামীমুল ইসলাম পাপেল

 

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক    

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন।দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের দৃশ্যমান কোন প্রস্তুতি লক্ষ্য করা না গেলেও গুরুত্ব পাচ্ছে সভাপতি-সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের বিষয়টি। তারিখ ঘোষণার পর থেকে পদ প্রত্যাশীরা কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা- কর্মীদের মন জয় করতে নানা কৌশলে দৌড়ঝাঁপ করছেন। প্রতিদিনই প্রার্থী তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে সর্বত্র। সম্মেলনে সভাপতি-সম্পাদক পদে দৌড়ে আছেন প্রায় ১৫ জন নেতা। পদপ্রত্যাশীসহ তাদের অনুসারীরাও এখন দ্বিধা-বিভক্ত। প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর আনুকূল্য লাভের জন্য ব্যস্ত। ইতোমধ্যে কয়েকজন পদপ্রত্যাশী ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেছেন।

সভাপতি ও সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইবনে হোসেন, ইব্রাহীম আজাদ বাবু, নারিমা জাহান, বোরহান উদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সাদ্দাম হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন, নাজমুল ইসলাম শাকিল, ক্রীড়া সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন তুর্য্য, প্রচার সম্পাদক আলিফুজ্জামান শুভ, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক কাইছার চৌধুরী রুবেল, দপ্তর সম্পাদক শাহনিয়াজ, উপ দপ্তর সম্পাদক মঈন উদ্দিন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সদস্য সরওয়ার আজম, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক উপ সম্পাদক মারুফ আদনান,  সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্না চৌধুরী। এর মধ্যে আলোচনায় এসেছে শামীমুল ইসলাম পাপেল এর নাম। আসন্ন সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী এ ছাত্রনেতা চকরিয়া সরকারি কলেজ শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা ছাত্রলীগ’র আইন বিষয়ক পরবর্তী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর রয়েছে ব্যক্তি ও পারিবারিক ইমেজ। আপাদমস্তক আওয়ামী পরিবারের সন্তান ও দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তার সাধারণ সম্পাদক পদে আসার জন্য সহায়ক হবে এমনটাই মনে করেন জেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

সুত্রে জানা যায়- ২০০৬ সালে স্কুলছাত্র থাকাকালীন লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন পাপেল।২০০৯ সালে লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মনোনীত হন। ২০১২ সালে চকরিয়া সরকারি কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পরবর্তীতে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন । চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক  পদে দায়িত্ব পালন করেন। বি.জি.সি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক দিয়েও অন্যপ্রার্থীদের চেয়ে এগিয়ে আছেন শামীমুল ইসলাম পাপেল। উত্তর লক্ষ্যারচর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষ করে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ থেকে মাধ্যমিক পাস করেন শামীমুল ইসলাম পাপেল। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন  চকরিয়া সরকারি কলেজ থেকেই উচ্চমাধ্যমিক, পরবর্তীতে বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.বি.এ ও বর্তমানে  ইস্ট ডেলটা ইউনিভার্সিটি থেকে এম.বি.এ (ফিন্যান্স)এ অধ্যয়নরত আছে। পাপেল’র অনুসারী নেতা-কর্মীরা মনে করেন- ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিতে ত্যাগ মেধা ও প্রজ্ঞা পাশাপাশি ধারাবাহিক রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ক্লিন ইমেজ দরকার। এক্ষেত্রে পাপেলকেই এগিয়ে রাখছেন তারা।

যোগাযোগ করা হলে শামীমুল ইসলাম পাপেল বলেন- ছোট বেলা থেকে মুজিব আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে আছি। তৃণমূলের রাজনীতিকে সুসংগঠিত করতে আসন্ন সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি। তৃনমূলের চাওয়া ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের মুল্যায়নে যোগ্যতম হিসেবে বিবেচিত হলে জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি।

জেলা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে- ২০১৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি ইশতিয়াক আহমেদ জয়কে সভাপতি এবং ইমরুল হাসান রাশেদকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ইমরুল রাশেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। পরে মোর্শেদ হোসেন তানিমকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি গঠনতন্ত্র মোতাবেক বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান জেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। 






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*