Main Menu

কক্সবাজারে পতিতা ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া

জাহেদ হাসান কক্সবাজার: কক্সবাজার শহরের লিংকরোড়সহ হোটেল মোটেল জোনে গড়ে উঠা বেশ কয়েকটি কটেজ ও ফ্লাটে জমজমাট পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসায়িদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গড়ে উঠা বেশ কয়েকটি কটেজ ও ফ্লাটে নিয়মিত ধরে চলছে পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসা । এসব কটেজ ও ফ্লাটে অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে রয়েছে একটি মহা সিন্ডিকেট। কটেজের কয়েক জন বয় সিন্ডিকেট করে দালালদের মাধ্যমে পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসা বেপরোয়া চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। দালালরা দেশের বিভিন্ন গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ভাড়াবাসায় ও কটেজে এনে আশ্রয় দেয়।এইসব স্হানে পতিতার পাশাপাশি ইয়াবা ব্যবসায়িদের আশ্রয়স্থলও রয়েছে । জানা যায়, কক্সবাজারে আগত পর্যটকরা রোহিঙ্গা ও স্হানীয়দের নিয়ে গড়ে উঠা দালাল সিন্ডিকেটের হাতে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও ছিনতায়ের শিকার হন। স্থানীয় তথ্যঅনুসারে জানা যায়, হোটেল মোটেল জোন ও শহরের বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে নাম করা পতিতা ব্যবসায়ীরা হলেন,মোঃ সৈয়দ সে বিকাশ বিল্ডিং মসজিদের পাশে বাসা নিয়ে দেহ ব্যবসা করে এখন কোটি টাকার মালিক বনে গেছে।সে আইন শৃংখলা বাহিনীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বেপরোয়াভাবে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তার সিন্ডিকেটের মধ্যে আরো যারা আছেন, ইসমাঈল,মোঃ জাফর,খালেদা আক্তার,মোঃ করিম,মোঃ সাবের,ব্যুইত্তানি, ও আরো কয়েকজন দালাল লিংকরোড়ের আশপাশে বাসা ভাড়া নিয়ে পতিতা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বার্মায়া ব্যুইত্তানি সে কলাতলী লাইটহাউজ এলাকার বাবু মায়ের ভাড়াবাসায় ৩০-৪০জন পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসার হাট বসিয়েছে।মোঃ রোকন সে লিংকরোড় মেরিন কমিনিটি সেন্টার উত্তর পাশে কক্সবাজার-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে বস্তির আকারে গড়ে উঠা ভাড়াবাসায় ১৫-২০ জন পতিতা নিয়ে রমরমা দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।এরা আগত পর্যটকদের ভুলিয়ে বালিয়ে পতিতা ও রুমসহ বিক্রয় করে।আলাপচারিতায় এক ব্যক্তি জানান, এসব পতিতারা সকালে পর্যটক ঘুম থেকে উঠার আগে পর্যটকের সব নিয়ে চলে যায়। এদের কারনে কটেজে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে । এদের বেশির ভাগ পতিতা রোহিঙ্গা বলে জানা যায়। এসব পতিতারা টেকনাফ ও উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত বলে জানা যায়। এসব দালালদের হাতে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে কক্সবাজারে আসা পর্যটকরা। পর্যটন এলাকার সুনাম রক্ষার্থে এসব দালালদের বিরুদ্ধে প্রায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চললেও যেন থামানো যাচ্ছেনা দালালদের সক্রিয়তা ।এইসব এলাকার সচেতন লোকজন জানান, হোটেল মোটেল জোন,ভাড়াবাসা ও এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা খুব সক্রিয়। এ কারণে ছাত্র ও যুবসমাজকে নিয়ে উদ্বিগ্ন তাদের পরিবারের অভিভাবকরা। কারণ যে কোন মুহুর্তে তাদের ছেলেরা সর্বনাশা ইয়াবায় আসক্ত হওয়া ও পতিতাদের ভয়ে চরম আতংকে রয়েছে এলাকাবাসী। তথ্য সূত্রে জানা যায়, জাফর,করিম,ব্যুইত্তানি সহ কটেজ,ফ্লাট ও হোটেলের বয় ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানা যায়। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*