Main Menu

ইরানের বিরোধী দলগুলো কতটা শক্তিশালী?

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক: ইরানের কর্তৃপক্ষ ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের একটি বিমানকে ভুল করে ভূপাতিত করার কথা স্বীকার করার আগে এ নিয়ে মিথ্যা বলায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে তেহরান এবং অন্য শহরগুলোতে।

দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শোনা যায় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে। বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।

প্রথমেই প্রকৃত ঘটনার বিষয়ে সত্যি না বলার জন্য তারা কর্তৃপক্ষের নিন্দা করে। তবে আন্দোলনকারীরা দেশটির সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং ইসলামী শাসনের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেয়।

কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ঘিরে এ বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে, এমন কোনো ইঙ্গিতও নেই।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানি অধ্যাপক ফাতেমেহ শামস বলছেন, ‘এটা বলা কঠিন যে, এখানে এমন কোনো ব্যক্তি আছে, যাকে ঘিরে মানুষ এখন ঐক্যবদ্ধ হতে পারে।’

ইরানে বহু বছর ধরে একটি সংস্কারবাদী আন্দোলন চলছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামিকে এর প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা গেছে।

১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীণ খাতামি কিছু সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে এসেছিলেন এবং পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে কিছু প্রস্তাব রেখেছিলেন।

রক্ষণশীল স্বার্থরক্ষার কারণে আরও বড় ধরনের পরিবর্তনগুলো আটকে দেয়া হয় এবং খাতামির গতিবিধি ও গণমাধ্যমের সামনে তার হাজির হওয়া সীমিত করার মাধ্যমে তাকে কোণঠাসা করা হয়।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হল, এগুলো প্রায়ই নেতৃত্বহীন ছিল এবং মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব ও বৈষম্যের মতো সমস্যা তৃণমূলকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছিল।

তবে, তীব্র অস্থিরতা সত্ত্বেও, সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। কারণ তারা বিরোধীদের বিরুদ্ধে দমনমূলক পদক্ষেপ সেই সঙ্গে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে এসেছে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*