Main Menu

ইউএনও তমাল হোসেনের কর্মদক্ষতা পাল্টে যাচ্ছে গুরুদাসপুরের দৃশ্যপট

জালাল উদ্দিন, গুরুদাসপুর (নাটোর).
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেনের কর্মদক্ষতায় পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার দৃশ্যপট। জানা যায়, ২০১৯ সালের ১১ই জুন তমাল হোসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে গুরুদাসপুরে যোগদান করেন। গুরুদাসপুরে যোগদানের পর থেকেই উপজেলার সকল সরকারী, বেসরকারী কর্মকর্তাদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে গেছে। আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে নজর, দুস্থ্য ও প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝেখাস জমি বন্টনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে স্বক্ষম হয়েছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও হতদরিদ্রদের প্রতি সুদৃষ্টি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। তার অক্রান্ত পরিশ্রমে বাল্য বিবাহ অনেকাংশে কমে গেছে।

ইউএনও বেশ কিছু মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছেন। যার কারনে মাদক সেবী ও বিক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বক্ষম হয়েছেন। ইতিমধ্যে নাজিরপুর ইউনিয়নের ১০ বছরের শিকলবন্দী বাবাকে উদ্ধার, বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ী প্রতিবন্ধী পরিবারের পাশে ও অর্থঅভাবে কিডনি বিক্রি করতে চাওয়া উম্মেহানির পাশে দাড়িয়ে সকলের কাছে প্রশংসনীয় হয়েছেন। বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ে “বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয় সম্পর্কে চেতনার ৭১” উপস্থিত বক্তৃতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সবার নজর এখন ইউএনও তমাল হোসেনের দিকে।

ইউএনও তমাল হোসেনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলার বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা, সুধিসমাজ ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষরা জানান, যোগ্য, সৎ, সাহসী নির্বাহী অফিসার দীর্ঘদিন তাঁর কর্মস্থলে থাকলে গুরুদাসপুরের সার্বিক দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। উপজেলা পর্যায়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যদি সৎ থাকে, তবে সমাজ থেকে দূর্নীতিসহ উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকান্ড ত্বরান্বিত হবে। এ পর্যন্ত ইউএনও সাহেব ভালোভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন বলে মনে করেন তারা। তবে তারা কাবিখা ও কর্মসৃজন প্রকল্পে একটু বেশি নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তারা বলেন, ইউএনও মহোদয়ের কারণে অনিয়ম, দূনীর্তি ও স্বজনপ্রীতি অনেকাংশে কমে গেছে। যেখানেই অনিয়ম, সাধারন মানুষের সমস্যা সেখানেই ছুটে চলেন তিনি। প্রায় সবার কাছে তিনি এখন প্রিয় নির্বাহী অফিসার। বাল্য বিবাহের সংবাদ যখনই পান, ছুটে যান বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে। তিনি মাত্র ৪ মাসে ৪০ টি বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে স্বক্ষম হয়েছেন। বাল্যবিবাহ আয়োজন কারীদের কাছে আতংকের নাম এখন তমাল হোসেন। সরেজমিনে ইউএনও অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সর্বশ্রেণীর মানুষ তাদের সমস্যার কথা সরাসরি ইউএনও’র কাছে বলতে পারছেন এবং ওই সকল মানুষের সমস্যার কথাশুনে তৎক্ষনাৎ কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহন করতে দেখা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন বলেন, উপজেলার প্রশানিক কর্মকান্ড সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা, সুধিসমাজ ও সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।#






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*