Main Menu

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ইরানের বন্দী বিনিময়!

বিবিসিএকাত্তর ডেস্কঃ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আটক অস্ট্রেলীয় ভ্রমণ-ব্লগার জুটিকে ছেড়ে দিয়েছে ইরান। তারা নিরাপদে দেশে ফিরতে পেরেছেন বলে শনিবার নিশ্চিত করেছে ক্যানবেরা।

বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুসারে আটক এক ইরানি শিক্ষার্থীকেও ছেড়ে দেয়ার পর তিনি তেহরানে ফিরে গেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এটাকে সম্ভাব্য বন্দি অদলবদল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

পার্থশহরভিত্তিক জোলি কিং ও মার্ক ফারকিন তাদের অস্ট্রেলিয়া থেকে ব্রিটেনের ভ্রমণ কাহিনী সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করতেন। গত দুই বছর ধরে তারা এই কাজ করে যাচ্ছিলেন।

কিন্তু মাসতিনেক আগে তাদের কিরগিজস্থান এবং পাকিস্তানের ভ্রমণবৃত্তান্ত দেয়া হঠাতই বন্ধ হয়ে যায়।

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে এই জুটির লাখ লাখ ভক্ত রয়েছেন। গত মাসে ইরানের বিচারবিভাগের এক মুখপাত্র বলেন, তারা ড্রোন দিয়ে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও নিষিদ্ধ অঞ্চলের ছবি তুলছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস পাইন বলেন, স্পর্শকাতর আলোচনার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের সঙ্গে তারা মিলিত হয়েছেন।

ক্যানবেরায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি বিবৃতিতে তারা জানান, অস্ট্রেলিয়ায় নিজেদের স্বজনদের কাছে নিরাপদে ফিরতে পেরে আমরা খুবই সন্তুষ্ট। গত কয়েকটি মাস আমাদের কঠিন সময় গেছে।

এর কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে আটক এক ইরানি শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। গত ১৩ মাস ধরে তিনি দেশটিতে আটক ছিলেন।

রেজা দেহভাশিশ নামের এই শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ বন্ধ করার কথা নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ক্রিস্টিয়ান পর্টার।

এটাকে বন্দী বিনিময় বলতে অস্বীকার করেছেন তিনি। যদিও সিডনি মর্নিং হেরাল্ডসহ বড় বড় পত্রিকায় এটাকে সম্ভাব্য অদলবদল বলেই খবর ছেপেছে।

কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক ছিলেন রেজা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, দুবাইয়ের মাধ্যমে অত্যাধুনিক মার্কিন সামরিক রাডার যন্ত্র ক্রয় করে ইরানে পাচার করছিলেন তিনি। যদিও তিনি ভুল বোঝাবুঝি বলে সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*